ইসলাম শিক্ষা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ইসলাম শিক্ষা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী - মহিলা সমাবেশে প্রশ্নের জবাবে - সকল খন্ড পিডিএফ

দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী - মহিলা সমাবেশে প্রশ্নের জবাবে - সকল খন্ড পিডিএফ

মহিলা সমাবেশে প্রশ্নের জবাবে - দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী
mohila somabeshe proshner jobabe 1-2 part
মহিলা সমাবেশে প্রশ্নের জবাবে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী
প্রকাশনীঃ গ্লোবাল পাবলিশিং নেটওয়ার্ক
বইয়ের সাইজঃ ১-২ খন্ড
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৩২৮
বইয়ের ফরম্যাট পিডিএফ ই-বুক
বিভাগঃ ইসলাম শিক্ষা
কৃতজ্ঞতায়ঃ বাগী কুঞ্জালয় পাঠাগার

নারী-পুরুষের সমান অধিকার

প্রশ্ন : ইসলাম নারীকে মর্যাদা দিয়েছে এ কথা সত্য, কিন্তু অধিকার দেয়নি-বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিন।
উত্তরঃ ইসলাম নারীকে যেমন সম্মান-মর্যাদা দিয়েছে, অনুরূপ তাঁর অধিকারও প্রদান করেছে। একশ্রেণীর মুসলিম নারীদের অবস্থা হলো, তাঁরা পাশ্চাত্য শিক্ষায় উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করেছে বটে, কিন্তু ইসলাম সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞানও অর্জন করেনি। এ কারণেই তাঁদের মনে ধারণা জন্মেছে যে, ইসলাম নারীকে অধিকার দেয়নি। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নারী জাতিকে যে সম্মান-মর্যাদা ও অধিকার প্রদান করেছে, তা যদি বর্তমান কালের নারীরা উপলব্ধি করতে সক্ষম হতো, তাহলে তাঁরা আল্লাহ প্রদত্ত অধিকার আদায়ের জন্য অপ্রতিরোধ্য আন্দোলন গড়ে তুলতো। পৃথিবীর নারীবাদীদেরকে তারা জানিয়ে দিতো, অন্য কোনো অধিকারের প্রয়োজন নেই, আল্লাহ তা'য়ালা আমাদেরকে যে অধিকার দিয়েছেন তা বাস্তবায়ন করা হোক। সম্মান ও মর্যাদার ক্ষেত্রেও আল্লাহ তা'য়ালা নারীদেরকে বহু ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছেন। আল্লাহ তা'য়ালা বলেন-
وَلَهُنَّ مِثْلُ الَّذِي عَلَيْهِنَّ بِالْمَعْرُوفِ
নারীদের জন্যও যথারীতি সেই সব অধিকারই নির্দিষ্ট রয়েছে যেমন তাদের ওপর পুরুষদের অধিকার রয়েছে। (সূরা বাকারা-২২৮)

আল্লাহ তা'য়ালা নারীদেরকে যে অধিকার দিয়েছে, তা অবশ্যই তাদেরকে দিতে হবে। আর নারীদেরকেও কোরআন ও হাদীস অধ্যয়ন করে আল্লাহ প্রদত্ত অধিকার সম্পর্কে অবহিত হতে হবে।

মহিলা নবী-রাসূল নেই কেনো?

প্রশ্ন: আল্লাহ তা'য়ালা পৃথিবীতে অসংখ্য নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন কিন্তু তাঁদের মধ্যে একজনও নারী ছিলেন না। আমার প্রশ্ন হলো, ইসলামী রাষ্ট্রে মহিলাদের রাষ্ট্রপ্রধান হবার কোনো সুযোগ কোরআনে রয়েছে কিনা?
উত্তর : বুখারী, তিরমিযী ও নাসায়ীর হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে, তদানীন্তন পারস্যের রাষ্ট্রপ্রধানের মেয়েকে সেখানের জনগণ যখন নিজেদের বাদশাহ হিসাবে বরণ করে নিয়েছিলো, তখন এ সংবাদ শুনে আল্লাহর রাসূল বলেছিলেন, যে জাতি নিজেদের জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্বসমূহ কোনো নারীর ওপরে অর্পণ করে, সে জাতি কখনো প্রকৃত কল্যাণ ও সফলতা লাভ করতে পারে না।

সৃষ্টিগতভাবে মহান আল্লাহ তা'য়ালা দৈহিক কাঠামোর দিক থেকে নারী ও পুরুষকে পৃথকভাবে সৃষ্টি করেছেন এবং মানব বংশ বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাঁদেরকে সন্তান ধারণের উপযোগী করে সৃষ্টি করেছেন। সন্তান ধারণের উপযুক্ত ক্ষেত্র প্রস্তত করার লক্ষ্যে যথাযথ বয়সে একজন নারী প্রতি মাসে বিশেষ এক অবস্থার সম্মুখীন হন এবং সে সময়ে তাঁকে নামায-রোযা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানীগণ বলেছেন, এ সময়ে নারীর দেহ ও মনে একাধিক পরিবর্তন ঘটে। শারীরিক দিক দিয়ে তাঁরা দুর্বলতায় আক্রান হন। মন-মেজাজ খিটখিটে হতে পারে এবং তাঁর স্মরণ শক্তি কিছুটা হলেও লোপ পেতে পারে। এরপর সন্তান প্রসব করার পর তাঁর শারীরিক ও মানসিক অবস্থার আরো অবনতি ঘটে থাকে। এই অবস্থায় তাঁর পক্ষে কোনো গুরু-দায়িত্ব পালন করা যেমন সম্ভব নয়, তেমনি তাঁর ওপরে কোনো দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়াও জুলুম করার নামান্তর। মহিলা সমাবেশে প্রশ্নের জবাবে

আরও বই ডাউনলোড করুন
মুক্তির পয়গাম Islami Book Free Download ডাউনলোড
ইসলামের দৃষ্টিতে কাঙ্খিত পরিবার Bangla PDF - ইউসুফ কারযাভী ডাউনলোড
নতুন কোম্পানির ব্যবসায় লস হওয়ার কারণ ৷ কামাল আহমেদ বাগী পড়ুন

২১ একজন নবীকে দিন রাত অনুক্ষণ তাঁর দায়িত্ব পালন করতে হয়। তাঁর কাছে সময়ের যে কোনো মুহূর্তে ফেরেস্তা আগমন করেছে, ওহী অবতীর্ণ হয়েছে, প্রয়োজনে মহান আল্লাহর সাথে কথোপকথন হয়েছে, মসজিদে প্রবেশ করতে হচ্ছে। নারীকে নবী করা হলে তাঁর যখন ঐ অবস্থা সৃষ্টি হতো, তখন তাঁর পক্ষে দায়িত্ব পালন করা কোনোক্রমেই সম্ভব হতো না, হায়েজ-নেফাসের সময় তাঁর কাছে যেমন ফেরেস্তা আগমন করতো না এবং তাঁর প্রতি ওহী অবতীর্ণ করাও যেতো না, তিনি মসজিদেও প্রবেশ করতে পারতেন না। হয়তো এ ধরনের অনেক কারণে মহান আল্লাহ তা'য়ালা নারীদের ভেতর থেকে কারো প্রতি নবুওয়াতের দায়িত্ব অর্পণ করেননি।

নির্বাচনে নারী

প্রশ্ন: দেশের প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করার ক্ষেত্রে নারীকে নির্বাচিত না করার ব্যাপারে ইসলাম নিরুৎসাহিত করেছে কোন্ কারণে?
উত্তর: সৃষ্টিগতভাবেই মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নারী ও পুরুষকে ভিন্নভাবে সুষ্টি করেছেন। নারী ও পুরুষের স্বভাব-প্রকৃতি, রুচি, অভ্যাস, মন-মানসিকতা ও দৈহিক শক্তি ইত্যাদির দিক থেকে বিরাট পার্থক্য রয়েছে। ভিন্ন স্বভাব-প্রকৃতি ও দেহ কাঠামো দিয়ে নারী ও পুরুষকে সৃষ্টি করে তাদের কর্মক্ষেত্রেও পৃথক করে দিয়েছেন আল্লাহ তা'য়ালা। পুরুষের দৈহিক কাঠামোর কারণে পৃথিবীর কঠিন কাজসমূহের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে তাদের ওপরে আর নারীর ওপর অর্পিত হয়েছে সহজ কাজের দায়িত্ব। প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী তথা প্রতিনিধিত্ব ইত্যাদি পদের দায়িত্ব অত্যন্ত কঠিন। প্রতিনিধিত্ব করার যোগ্যতা নারীর মধ্যেও রয়েছে, এ কথা অবশ্যই সত্য। কিন্তু যে দায়িত্ব পালনের উপযোগী করে তাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে, তার সেই স্বাভাবিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হলে তাকে অন্যসব দিকের ছোট-বড় দায়িত্ব থেকে মুক্ত থাকতে হবে এবং তার সে দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা কোনোক্রমেই উচিত নয়।

রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তার অপরাপর স্বাভাবিক দায়িত্বসমূহ পালন করা একজন নারীর পক্ষে কি সম্ভব? নারীকে পারিবারিক জীবন-যাপন, গর্ভধারণ, সন্তান প্রসব, সন্তান প্রতিপালন ও ভবিষ্যৎ সমাজের মানুষ তৈরীর কাজ সঠিকভাবে করতে হলে তাকে কিছুতেই রাষ্ট্রীয় ঝামেলায় জড়ানো যেতে পারে না। জার যদি কোনো নারীর প্রতি সে দায়িত্ব অর্পণও করা হয়, তাহলে তার পক্ষে সেই একই সময়ে অন্যান্য স্বাভাবিক দায়িত্বসমূহ পালন করা কোনোক্রমেই সম্ভব হবে না। নারীর প্রতি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করা হলে তাকে অবশ্যই ভিন্ন ৷

আমার স্বামী সুদভিত্তিক ব্যাংকে চাকরী করে

প্রশ্ন: আমার স্বামী একজন নিয়মিত নামাযী মানুষ, তিনি সুদ ভিত্তিক গ্রামীণ ব্যাংকে চাকরী করেন এবং তার উপার্জিত অর্থ দ্বারা আমাদের ভরণ-পোষণের ব্যবস্থা হয়। প্রশ্ন হলো, আমার স্বামীর উপার্জন কি জায়েয?
উত্তর: শুধু গ্রামীণ ব্যাংকই নয়, শরীয়াহ্ ভিত্তিক ব্যাংক ব্যতীত অন্য সমস্ত ব্যাংকের সাথে লেনদেন করা, চাকরী করা বা কোনোভাবে ব্যাংকের সাথে জড়িত থাকা হারাম। কারণ এসব ব্যাংক সুদ ভিত্তিক আর সুদের সাথে কোনো মুসলমান জড়িত থাকতে পারে না। সুদের মধ্যে অসংখ্য গোনাহ্ রয়েছে, এর মধ্যে সবথেকে ছোট্ট গোনাহ্ হলো, নিজের মাকে বিয়ে করার অনুরূপ.। সুদ ভিত্তিক ব্যাংকে বা কোনো প্রতিষ্ঠানে যারা চাকরী করেন, তাদের উপার্জন হারাম আর হারাম উপার্জনে কোনো বরকত পাওয়া যাবে না। যাদের স্বামী বা স্ত্রী সুদ ভিত্তিক ব্যাংক বা কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরী করেন, তাদের স্ত্রী এবং স্বামীকে বলতে হবে, অন্য কোনো হালাল প্রতিষ্ঠানে যেন চাকরীর চেষ্টা করে বা উপার্জনের হালাল পন্থা অনুসন্ধান করে।

আর এ জন্য মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে হবে যে, তিনি যেন হালাল পথ উন্মুক্ত করে দেন। চাকরিজীবী সমস্ত মুসলমান যদি সুদ ভিত্তিক ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানে চাকরী করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে বা এক যোগে পদত্যাগ করে, তাহলে মুসলিম দেশে এসব প্রতিষ্ঠান স্বাভাবিকভাবেই বন্ধ হয়ে যাবে এবং জাতি সুদের গোনাহ্ থেকে মুক্ত থাকবে। ইসলামী রাষ্ট্র থাকলে এই অবস্থার কথা কল্পনাও করা যেতো না। তবে যতক্ষণ অন্যত্র উপার্জনের ব্যবস্থা না হয়, ততক্ষণ অনিচ্ছা ও ঘৃণার সাথে এসব প্রতিষ্ঠানেই থাকা ছাড়া তো কোনো উপায় নেই। তবে নিশ্চিন্ত হয়ে বসে থাকা যাবে না, হালাল পন্থা অনুসন্ধান করতে হবে। শুধু ব্যাংকিং সেক্টরই নয়, সর্বত্র হারামের সয়লাব বয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থার পরিবর্তন করার জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইসলামী সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ার অপ্রতিরোধ্য আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে এবং এটা মুসলিম নারী ও পুরুষের ঈমানী দায়িত্ব।

মুক্তির পয়গাম Islami Book Free Download

মুক্তির পয়গাম Islami Book Free Download

মুক্তির পয়গাম - ইবনে মাসুম PDF book free download
book cover muktir poygam
মুক্তির পয়গাম ইবনে মাসুম
প্রকাশনীঃ আইসিএস পাবলিকেশন
বইয়ের সাইজঃ ১-এমবি
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ২৭
বইয়ের ফরম্যাট পিডিএফ ই-বুক
বিভাগঃ ইসলাম শিক্ষা
কৃতজ্ঞতায়ঃ বাগী কুঞ্জালয় পাঠাগার

মানুষকে আল্লাহ কি কারণে সৃষ্টি করেছেন? বিভেদ ও বিশৃংখলার জন্যে সৃষ্টি করেছেন? কঠিন ও জটিল এই পৃথিবীতে মানুষকে পথের সন্ধান না দিয়েই ছেড়ে দিয়েছেন? না, কখনই তা হতে পারে না। আল্লাহ তো দয়াময় ও মেহেরবান। যে আল্লাহ বিশাল এই পৃথিবীর সব কিছু সৃষ্টি করেছেন আমাদের সুখ-স্বাচ্ছন্দের জন্যে, যে আল্লাহ সব মানুষকে বাঁচিয়ে রেখেছেন আলো, বাতাস আর খাবার দিয়ে সেই আল্লাহই মানুষকে বাতলে দিয়েছেন সরল, শান্তির পথ- সিরাতুল মুস্তাকিম। কোন্ পথে চললে মানুষ পাবে শান্তি, কোন্ পথে আসবে মানুষের মর্যাদা, কোন্ পথে চললে মানুষ তার দায়িত্ব পালন করতে পারবে তা তিনি সৃষ্টির সাথে সাথেই জানিয়ে দিয়েছেন মানুষকে।

আরও বই ডাউনলোড করুন
ঈদুল ফিতর ঈদুল আযহা - আবদুস শহীদ নাসিম PDF Bangla Book ডাউনলোড
আমার বিয়ের বয়স পার হয়ে গেল বিয়ের জন্য কেউ কখনো চেষ্টা করেনি পড়ুন
Pdf Book নেক আমল বিধ্বংসী বদ আমল সমূহ - মাসুদা সুলতানা রুমী ডাউনলোড

শিখিয়ে দিয়েছেন প্রথম মানুষ হযরত আদম (আ)কে। হযরত আদম (আ) তাঁর গোটা জীবন সেইভাবে চালিয়েছেন। তাঁর পুত্র পরিজনকেও সেইভাবে পরিচালনা করেছেন। তারপর দিন দিন মানুষের সংখ্যা বাড়তে লাগলো। ছড়িয়ে পড়লো মানুষ পৃথিবীর আনাচে-কানাচে আস্তে আস্তে আল্লাহর পথও ভুলে গেল তারা।

রাহমানুর রাহীম আল্লাহ আবার মানুষকে মুক্তির পথ বাতলিয়ে দিতে চাইলেন। তিনি মানুষের মধ্য থেকে বিশেষ কিছু মানুষকে মনোনীত করলেন। এই মনোনীত বান্দারা হলেন নবী ও রাসূল। এবং সেই বাতলিয়ে দেয়া পথের নাম- 'ইসলাম'। আল্লাহর এই মনোনীত বান্দারা তাঁর হুকুম নিজেরা মেনে চলেছেন আর তাদের যুগের সাধারণ মানুষদেরকে দেখিয়ে দিয়েছেন- দেখো, এইভাবে চলো, এইভাবে নিজেদের জীবনকে গড়ে তোল, সমাজকে গড়ে তোল। শুধু মুখে মুখে নয়, কাজের মাধ্যমে তাঁরা বুঝিয়ে দিয়েছেন আল্লাহর পথ কোনটি। তাই 'ইসলাম' শুধু মাত্র একটি ধর্মের নাম নয়। ইসলাম আল্লাহর মনোনীত শান্তির পথ। এই দুনিয়ায় মানুষের জীবন-যাপনের পথ নির্দেশ। মুক্তির পথ ইসলাম

মানুষের গড়া মতবাদ

আল্লাহর দেখানো এই মুক্তির পথকে বাদ দিয়ে মানুষ নিজে তার চলার পথ রচনার চেষ্টা করেছে বহুবার। কেউ বলেছে এ পৃথিবীর কোন সৃষ্টিকর্তা নেই । এ দুনিয়াটাই সব-দুনিয়ার সুখ শান্তিই সব। অতএব 'খাও দাও ফুর্তি কর।' আর এ জন্যে অন্যকে ঠকিয়ে বড়লোক হওয়া অন্যায় নয়। শ্রমিককে খাটিয়ে তোমার টাকাকে আরো বাড়াও। কিন্তু তাদেরকে ঠকানো কোন ক্ষতি নেই। কে তোমাকে আটকাবে? পরকাল? তা তো নেই।' এই ধরনের চিন্তা বা মতবাদের নাম হলো পুঁজিবাদ । পুঁজিবাদ সমাজে এক দলের ঘাম আর রক্তের বদলে বড়লোক হলো অন্য একদল। বড়লোকেরা আরও বড়লোক হলো গরীবরা হলো আরও গরীব। সমাজের সমস্ত কর্তৃত্ব চলে গেল এইসব লোকের হাতে। পুঁজিবাদ তাই কোন শান্তির দিশা দেখাতে পারলো না মানুষকে ।

এইভাবে দুনিয়ার সব দেশের সব সময়ের মানুষ চেষ্টা করেছে তাদের নিজেদের বুদ্ধি ও ক্ষমতা খাটিয়ে চলার পথ রচনা করতে। কিন্তু বার বার ব্যর্থ হয়েছে। এর প্রকৃত কারণ কি? এর একটি মাত্র কারণ- মানুষ এই মহাসত্যকে বুঝতে পারেনি, যে মানুষের পক্ষে মানুষের জন্যে জীবন পথ রচনা করা সম্ভব নয়। মানুষের সীমিত জ্ঞান, বুদ্ধি ও অভিজ্ঞতা দ্বারা এমন কোন পথ রচনা করা সম্ভব নয় যা সব যুগের, সব দেশের, সকল মানুষের মুক্তি ও কল্যাণের পথ দেখাতে পারে। কারণ তার আগের লোকদের সে দেখেনি, পরের লোকদের দেখবে না।

দুনিয়ার সবগুলো দেশ আর সমাজ সম্পর্কে তার পুরোপুরি ধারণা থাকা সম্ভব নয়, তাহলে তার পক্ষে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনাদর্শ রচনা করা কি করে সম্ভব হতে পারে? মানুষের কল্যাণের পথতো একমাত্র আল্লাহই দিতে পারেন। যিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। যিনি মানুষকে তার রহমত দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছেন। যার কাছে মানুষের স্বাভাবিক দুর্বলতা, ভুল-ত্রুটি সবকিছু পরিষ্কার এবং যিনি দুনিয়ার সব সমাজের সকল মানুষকে সম্পূর্ণরূপে জানেন।

ইবাদত

ঈমানের আসল কথা হলো কোন প্রকার সন্দেহ ছাড়াই তাওহীদ, রিসালাত, আখিরাত এবং কিতাব ইত্যাদির উপর বিশ্বাস আনা। এই বিশ্বাসের ভিত্তিতে জীবন গড়ে তোলার নাম ইবাদত অর্থাৎ দাসত্ব বা গোলামী করা। মানুষ ও জ্বীন জাতিকে সৃষ্টির উদ্দেশ্যই হলো তারা আল্লাহর ইবাদত করবে। তাই কোনো অবস্থাতেই মানুষ এই দাসত্ব থেকে মুক্তি পেতে পারে না। যেহেতু আল্লাহর গোলাম বা দাস হিসাবেই আমাদের জন্ম তাই আমাদের নিজেদের গোটা জীবনটাই তাঁর গোলামী বা দাসত্ব করে কাটিয়ে দেয়া উচিত। এর মানে এ নয় যে দুনিয়ার সব কাজকর্ম ছেড়ে দিয়ে কোথাও বসে 'আল্লাহ' 'আল্লাহ' করতে হবে। বরং ইবাদত করার আসল অর্থ হলো আমরা দুনিয়ায় যে সব কাজ করবো তা আল্লাহর আইন ও নিয়ম অনুযায়ী করবো।

মানুষের জীবনের ঘুম, বিশ্রাম, পানাহার, চলাফেরা, অন্যের সাথে ব্যবহার, টাকা পয়সার লেন-দেন মোটকথা প্রত্যেকটি কাজ আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী করার নামই ইবাদত। এইভাবে মানুষের জীবন গড়ে তোলার জন্যে প্রাথমিকভাবে কতকগুলো কাজ করতে হয়। যেমন আল্লাহ ও রাসূলের উপর বিশ্বাস স্থাপন, নামাজ পড়া, রোজা রাখা, জাকাত দেয়া এবং সামর্থ্য থাকলে হজ্ব করা। এগুলো হচ্ছে মুসলমানদের আনুষ্ঠানিক কাজ। এসব কাজ মুসলমানদের উপর ফরজ বা অবশ্যকরণীয় করা হয়েছে যেনো এ সবের মাধ্যমেই তাদের পুরো জীবন আল্লাহর দাসত্বে পরিণত হতে পারে। তাই একজন লোক সারাদিন নামাজ পড়ার পরে রোজার মাসে সারা মাস উপবাস থাকার পরে আর পয়সা খরচ করে হজ্ব করার পরেও যদি তার হৃদয় মনে খোদার ভয়, প্রেম ও ভালবাসা সঠিকভাবে সৃষ্টি না হয় তবে তার নামাজ, রোজা ও হজ্ব পালনের উদ্দেশ্য একেবারে ব্যর্থ হয়েছে বলতে হবে। লোক দেখানো নামাজ, রোজা, হজ্ব ও জাকাতের কোন মূল্য নেই।

Pdf Book নেক আমল বিধ্বংসী বদ আমল সমূহ - মাসুদা সুলতানা রুমী

Pdf Book নেক আমল বিধ্বংসী বদ আমল সমূহ - মাসুদা সুলতানা রুমী

নেক আমল বিধ্বংসী বদ আমল সমূহ - মাসুদা সুলতানা রুমী PDF version download
nek amol bdhonshi bod amol shomuho
নেক আমল বিধ্বংসী বদ আমল সমূহ মাসুদা সুলতানা রুমী
প্রকাশনীঃ মমমা প্রকাশনী
বইয়ের সাইজঃ ১-এমবি
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৪৪
বইয়ের ফরম্যাট পিডিএফ ই-বুক
বিভাগঃ ইসলাম শিক্ষা
কৃতজ্ঞতায়ঃ বাগী কুঞ্জালয় পাঠাগার

বড় কবিরা গুনাহ কি?

আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আল কুরআনের পাতায় পাতায় বড় বড় গুনাহ সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। সেই গুনাহসমূহ আমাদের সমাজের মুসলিমেরা করে করে এমন অভ্যস্ত হয়ে গেছে যে এসব কাজকে বড় গুনাহ তো দূরের কথা যেন গুনাহই মনে করে না। যেমন-

  • ১. নামাযে অবহেলা করা
  • ২. যাকাত না দেয়া
  • ৩. বিনা ওজরে রমজানের রোজা ভংগ করা
  • ৪. সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও হজ্ব না করা
  • ৫. পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া
  • ৬. ইয়াতিমের মাল আত্মসাৎ করা
  • ৭. গর্ব বা অহংকার করা
  • ৮. মিথ্যা কথা, মিথ্যা সাক্ষ্য ও মিথ্যা শপথ করা
  • ৯. মদ্যপান করা
  • ১০. তাহলিল বা হিলা বিবাহ করা বা দেওয়া
  • ১১. দুর্বল শ্রেণী বা কর্মচারীর সাথে খারাপ ব্যবহার করা
  • ১২. সৎ ও আল্লাভীরু বান্দাদের কষ্ট দেয়া
  • ১৩. মাপে বা ওজনে কম দেয়া
  • ১৪. ওয়ারিশকে ঠকানো
  • ১৫. ভবিষ্যত বক্তা বা জ্যোতিষীর কথা বিশ্বাস করা
  • ১৬. পুরুষের স্বর্ণ ও রেশম ব্যবহার করা
  • ১৭. জুয়া খেলা।

উপরোক্ত কাজগুলো সবই বড় গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। যাকে বলে কবীরা গুনাহ। আমি চুরি, ডাকাতি, সুদ-ঘুষের কথা আমার এই তালিকায় লিখি নাই। কারণ এই কাজ চারটিকে সবাই খারাপ কাজ বলেই জানে এবং বিরত থাকার চেষ্টা করে। কিন্তু যে বদ কাজগুলোর আমি তালিকা পেশ করেছি সে কাজগুলো আমাদের চরিত্রে যেন মিশে গেছে। এইসব কাজে অভ্যস্ত থেকেও মানুষ নিজেদেরকে মুসলিম বলে পরিচয় দেয়। মৃত্যুর পরে "আলা মিল্লাতি রাসূলুল্লাহ বলে কবরে শায়িত করে।

নামাযে অবহেলা করা

আমাদের দেশ ৯৮% মুসলমানের দেশ। এই ৯৮% এর মধ্যে হয় ৯০% মানুষই নামায পড়ে না। আর যারা পড়ে তাদের মধ্যে অনেকেই ঠিকমতো পড়ে না- সময় মতো পড়ে না নিয়ম মতো পড়ে না। যারা নামাজ পড়েনা তাদের মধ্যে কোনো অনুতাপ-অনুশোচনাও নেই। বরং কেউ কেউ তো বেশ দেমাগের সাথেই বলে 'নামাজ না পড়লে কি হবে ঈমান ঠিক আছে। অথচ রাসূল (সা.) বলেছেন, "মুমিন ও কাফেরের মধ্যে পার্থক্য নামাজ ত্যাগ করা।” (মুসলিম, আবু দাউদ, নাসায়ী, তিরমিযী)

রাসূল (সা.) বলেন, 'যে ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ ছেড়ে দিল আল্লাহর যিম্মাদারী থেকে বের হয়ে গেল। তিনি আরো বলেন, "যে ব্যক্তির আসরের নামায ছুটে গেল, তার আমল নষ্ট হয়ে গেল।" মহান আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা পবিত্র কুরআনে যতোবার নামাজ বা সালাতের নির্দেশ দিয়েছেন তা অন্যকোন ইবাদাতের জন্য দেন নি।
ওবাদা ইবনে সামেত (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: আল্লাহ তাঁর বান্দাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরজ করেছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি উত্তমরূপে অযু করে সময় মতো সালাত আদায় করে এবং রুকু সিজদায় খেয়াল রেখে মনোনিবেশের সাথে সালাত আদায় করে অবশ্যই আল্লাহ তাকে মাফ করে দেবেন। আর যে তা করবে না তার অপরাধ মাফ করে দেওয়া সম্পর্কে আল্লাহর কোনো দায়িত্ব নেই। (আবু দাউদ)

যাকাত না দেওয়া

আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা সালাতের (নামাজ) সাথে যাকাত ফরজ করেছেন। "আক্কিমুস সালাতা ওয়া আতুস যাকাতা।" সালাত (নামাজ) কায়েম কর এবং যাকাত আদায় করো।" আল কুরআনে আল্লাহ বার বার এই আদেশ দিয়েছেন। মহান আল্লাহ যা করার আদেশ করেছেন তা পালন করা ফরজ, না করা কবীরা গুনাহ আর অস্বীকার করা হলো কুফরি করা।
অর্থাৎ যাকাত দেওয়া ফরজ। যাকাত না দেওয়া কবীরা গুনাহ। তারা যাকাত দিতে অস্বীকার করলে হবে কুফরী করা। কিন্তু আমাদের সমাজের অনেকেই যাকাত দেয় না। সরকার নির্ধারিত কর যেভাবে ফাঁকি দেয়, যাকাতও সেইভাবে ফাঁকি দিতে চায়।

আরও বই ডাউনলোড করুন
দৌড়াও আল্লাহর দিকে - অধ্যাপক মুজিবুর রহমান bangla Islami Book ডাউনলোড
তারীখে ইসলাম -মুহাম্মাদ আমীমুল ইহসান bangla pdf book ডাউনলোড
বুখারী শরীফ বাংলা অনুবাদ ১-১০ খন্ড পিডিএফ ডাউনলোড! ডাউনলোড

সামর্থ থাকা সত্ত্বেও হজ্ব না করা

হযরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: যে ব্যক্তি কামনা বাসনা ও আল্লাহর নাফরমানী হতে বিরত থেকে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হজ্ব করে সে যেন মাতৃগর্ভ হতে সন্তান যেমন নিষ্পাপ জন্মগ্রহণ করে, সেরূপ নিষ্পাপ হয়ে যায়। (বুখারী, মুসলিম) মহান আল্লাহ সুবহানাহুতায়ালা বলেন, "যে ব্যক্তি সেখানে পৌছার সামর্থ্য রাখে তারা যেন এ গৃহের হজ্ব সম্পন্ন করে। এটি তাদের ওপর আল্লাহর অধিকার।
(সূরা আলে ইমরান)

রাসূল (সা.) আরও বলেন: আল্লাহর ঘর বায়তুল্লাহ পর্যন্ত পৌছে হজ্ব করার জন্য প্রয়োজনীয় বাহন ও পাথেয় যার আছে সে যদি হজ্ব না করে তবে ইহুদী, খ্রিষ্টান হয়ে মরুক তাতে আল্লাহর কিছু যায় আসে না। (মুসলিম)
হযরত হাসান (রা.) থেকে বর্ণিত আছে- উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেছেন: "আমার ইচ্ছা হয় এসব শহরে লোক পাঠিয়ে খবর নেই যারা সামর্থ থাকা সত্ত্বেও হজ্ব সমাপন করছে না তাদের উপর জিযিয়া ধার্য করি। ওরা মুসলিম নয়, ওরা মুসলিম নয়। (মুনতাকী)
মুসলিম শব্দের অর্থ হলো আল্লাহর উপর আত্মসমর্পণ করা। যদি কেউ প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর উপর আত্মসমর্পণ করেই থাকে, তাহলে হজ্বের ন্যায় মহান ইবাদত থেকে সে বিনা কারণে কি করে বিরত থাকতে পারে?

দৌড়াও আল্লাহর দিকে - অধ্যাপক মুজিবুর রহমান bangla Islami Book

দৌড়াও আল্লাহর দিকে - অধ্যাপক মুজিবুর রহমান bangla Islami Book

দৌড়াও আল্লাহর দিকে - অধ্যাপক মুজিবুর রহমান bangla PDF download
doraw allahor dike PDF book
দৌড়াও আল্লাহর দিকে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান
প্রকাশনীঃ আহসান পাবলিকেশন
বইয়ের সাইজঃ ১-এমবি
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৫৩
বইয়ের ফরম্যাট পিডিএফ ই-বুক
বিভাগঃ ইসলাম শিক্ষা
কৃতজ্ঞতায়ঃ বাগী কুঞ্জালয় পাঠাগার

মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত বা সৃষ্টির সেরা জীব। সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মানুষের অনেক দায়িত্ব কর্তব্য রয়েছে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মানুষকে আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবে সৃষ্টি করে শুধু এমনি ছেড়ে দেননি। সাথে সাথে তাদের জীবন পরিচালনার জন্য বিধান হিসাবে মহাগ্রন্থ আলকুরআন নাযিল করেছেন। কোন পথে চললে কল্যাণ হবে, আর কোন পথে চললে অকল্যাণ হবে সবই সন্নিবেশিত করে রেখেছেন মহাগ্রন্থ আল কুরআনে। কিন্তু আমরা মানুষ, মানবিক দুর্বলতা আমাদের মধ্যে রয়েছে। আর এ দুর্বলতার কারণে আমরা ঐ কুরআনের বাণী ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রদর্শিত সেই পথকে ভুলে গিয়ে পার্থিব সুখ-শান্তির নেশায় হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়াই। কিন্তু এটা প্রকৃত বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

কেননা পরকালীন জীবনের তুলনায় পার্থিব জীবন মাত্র কয়েক সেকেন্ড, আর সেই কয়েক সেকেন্ড আরাম আয়েশের জন্যে আমরা মরিয়া হয়ে লেগে যাই। হারাম-হালালের বাছ বিচার করিনা। আল্লাহ ও রাসূল (সাঃ) এর নির্দেশিত দায়-দায়িত্বের কথা ভুলে যাই। সেই সমস্ত দায় দায়িত্বের অনুভূতি জাগ্রত করা এবং অচেতন লোকদের সচেতন ও সচেতন লোকদের আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে প্রখ্যাত লেখক অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বইটিতে কুরআন-হাদীস এবং বিভিন্ন যুক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে পাঠক-পাঠিকার কাছে তুলে ধরেছেন।

ধন সম্পদ হবে বিপদ

মানুষ খুবই ব্যস্ত। কিন্তু তার এই ব্যস্ততার কারণ কি? কি জন্য ব্যস্ত হয়ে ছুটাছুটি করছে? সম্ভবতঃ তিনটি কারণে হতে পারে-
প্রথমত: সম্পদের লোভে, দ্বিতীয়ত: নাম যশের লোভে এবং তৃতীয়তঃ আরাম আয়েশ কিংবা নারী ভোগের লোভে। কিন্তু ধন সম্পদ কতদিন তার কাজে লাগবে? দুনিয়ার জীবনে কিছুদিন কাজে লাগলেও আখেরাতে এ সম্পদ কাজে লাগবে না। বরং সম্পদের হিসাব দিতে হবে শেষ পর্যন্ত আটক হয়ে যাবে। কিয়ামতের দিন পাঁচটি প্রশ্নের জবাব দেয়া পর্যন্ত মাটি তার পাঁ কামড়ে থাকবে- সে চলতে পারবে না- পাঁচটি প্রশ্নের মধ্যে দুটি প্রশ্ন হল-
১. মাল বা সম্পদ কিভাবে উপার্জন করেছো? এবং ২. সেই মাল বা সম্পদ কিভাবে ব্যয় করেছো?
এখানে সম্পদকে আপদ বা বিপদ মনে হবে।
কঠিন পাঁচটি প্রশ্নের মধ্যে ধন সম্পদ সংক্রান্ত দুইটি। মাল আয় ও ব্যয় সংক্রান্ত অল্প প্রস্তুতি নিলে হবে না জোর প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।

আরও বই ডাউনলোড করুন
আজাদী আন্দোলনে আলেম সমাজের সংগ্রামী ভুমিকা - পিডিএফ ডাউনলোড ডাউনলোড
তারীখে ইসলাম -মুহাম্মাদ আমীমুল ইহসান bangla pdf book ডাউনলোড
ধারাবাহিক পূর্ণাঙ্গ নামাজ শিক্ষা (প্রয়োজনীয় মাসাইল সহ) pdf islamic book ডাউনলোড

ধ্বংসপ্রাপ্ত চৌদ্দ জাতি

ধ্বংসপ্রাপ্ত ১৪টি জাতির কথা কুরআন মাজিদে উল্লেখ আছে- যারা আল্লাহর পাঠানো নবীদের হেদায়াতে কর্ণপাত করেনি। যারা তাদের নবীকে মিথ্যা মনে করেছে, উপহাস করেছে, নির্যাতন করেছে, কারাবন্দী করেছে, আঘাত দিয়ে রক্তাক্ত করেছে। এমনকি হত্যা পর্যন্ত করতে ইতস্তুতঃ করেনি। এমন ধ্বংসপ্রাপ্ত কওম থেকে শিক্ষা নিয়ে আল্লাহর পথে দ্রুত অগ্রসর হতে হবে। ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিগুলো হচ্ছে:
১) আদ জাতি ২) সামুদ জাতি ৩) লুত জাতি ৪) নুহ জাতি ৫) সাবা জাতি ৬) তুব্বা জাতি ৭) বনি ইসরাইল জাতি ৮) আসহাবে কাহাফ জাতি ৯) আসহাবুস সাবত জাতি ১০) আসহাবুল কারিয়া জাতি ১১) আসহাবুল আইকা জাতি ১২) আসহাবুল উখদুদ জাতি ১৩) আসহাবুল রাস জাতি ১৪) আসহাবুল ফিল জাতি। দৌড়াও আল্লাহর দিকে

ওরা মেঘ দেখে ভীত হয়নি

অতীতে বহু জাতি আল্লাহর নাফরমানী করে আল্লাহর আযাবের উপযুক্ত হয়েছিল। তাদেরকে প্রচুর পরিমাণ ধন সম্পদ দেয়া হয়েছিল। সন্তান সন্তুতিসহ শক্তিশালী জাতিতে পরিণত করা হয়েছিল। তারা আল্লাহর এসব নিয়ামত ভোগ করে শুকরিয়া আদায় করেনি। আল্লাহর বিধান মেনে চলেনি। নবীদের সতর্কবাণীর পরোয়া করেনি। বরং বলেছে তুমি কি আযাবের কথা বলছ সেইসব আযাব নিয়ে আস। অহংকারে তারা ধরাকে সরা জ্ঞান করে। ফলে-

  • ক) কাউকে আসমান থেকে পাথর বর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে।
  • খ) কাউকে ভয়ানক ও প্রচন্ড শব্দ দিয়ে খতম করা হয়েছে।
  • গ) কাউকে মাটিতে পুতে ধ্বংস করা হয়েছে।
  • ঘ) কাউকে পানিতে ডুবিয়ে মারা হয়েছে।
  • অতীতের জাতিগুলো আকাশে মেঘ উঠেছে মনে করে

কুরআন হাদীসের আলোকে মরণ ব্যাধি দূর্নীতি pdf

কুরআন হাদীসের আলোকে মরণ ব্যাধি দূর্নীতি pdf

quran o hadiser aloke moron byadhi durniti pdf
কুরআন হাদীসের আলোকে মরণ ব্যাধি দূর্নীতি মাসুদা সুলতানা রুমীী
প্রকাশনী রিমঝিম প্রকাশনী
ভার্চুয়াল সাইজ ১ এমবি
পৃষ্ঠা সংখ্যা ৩৪ পৃষ্ঠা
বইয়ের ফরমেট পিডিএফ ই-বুক
বিভাগ ইসলাম শিক্ষা
কৃতজ্ঞতা বাগী কুঞ্জালয় পাঠাগার

দুর্নীতির উপসর্গ ও তার সৃষ্টিকর্তা দূর্নীতির উপসর্গসমূহ-আত্মিক। মানুষের অন্তঃকরণে সৃষ্ট লোভ, হিংসা, প্রতিহিংসা, গর্ব, অহংকার, অহমিকা প্রদর্শনেচ্ছা ইত্যাদি বদ স্বভাবসমূহই দুর্নীতিসহ যাবতীয় অসৎকর্ম করতে ইন্ধন জোগায়। মানবজাতি যাতে আল্লাহর মহাকল্যাণ লাভের জন্যে তাঁর সাধারণ বিধি-বিধান ও নিয়ম-নীতির জ্ঞান অনুযায়ী চলতে না পারে এবং সর্বদাই যাতে মানব জাতি নিজেরা নিজেরা মহাধ্বংসে পতিত হয়ে শাস্তি ভোগ করে, সেই উদ্দেশ্য সাধনের জন্যে মানুষের জন্য মানুষের দেহাভ্যান্তরে হৃৎপিণ্ড নামক স্থানে উপরে বর্ণিত উপসর্গসমূহ সৃষ্টি হয়। আর সেই উপসর্গসমূহই মানুষকে দুর্নীতি করতে ক্রিয়াশীল করে তোলে। আর সেই মহাধ্বংসকারী উপসর্গসমূহের সৃষ্টিকর্তা হচ্ছে, আল্লাহর শত্রু, নবী ও রাসূলগণের শত্রু, ফিরিশতাগণের শত্রু সর্বোপরি মানব জাতির মহা ও চিরশত্রু অভিশপ্ত শয়তান ইবলিস। ঐ ইবলিস এবং তার কিছু অনুসারী সহজ-সরল মানব জাতির অন্তঃকরণে বিভিন্ন প্রকার পন্থায় লোভ হিংসা প্রদর্শনেচ্ছা, পরশ্রীকাতরতা ইত্যাদি কুস্বভাব সৃষ্টি করে। ফলে মানুষে মানুষে মারামারি, খুনাখুনি, হানাহানি, ধর্ষণ, ছিনতাই, প্রতারণা, আমানত আত্মসাৎ এবং দুর্নীতিসহ যাবতীয় মানব ধ্বংসকারী, সমাজ ধ্বংসকারী তথা দেশ ও বিশ্ব ধ্বংস ও বিপর্যয় সৃষ্টিকারী কর্মকাণ্ডসমূহ সংঘটিত হয়। ফলে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। মানব জাতির সাথে শয়তান ইবলীসের শত্রুতা

ইবলীস সৃষ্টির কারণ

মানব জাতির সাথে অভিশপ্ত শয়তান ইবলীসের শত্রুতা সৃষ্টির কারণ ও ঘটনাটি কমবেশী আমরা সকলেই জানি। তবে সেই ঘটনাটি আমরা অধিকাংশ বাংলাভাষী মানুষ পরস্পর পরস্পরের মুখে মুখে শুনেছি। পবিত্র আল-কুরআনে সেই ঘটনাটির বিস্তারিতভাবে বর্ণনা থাকা সত্ত্বেও আমাদের অনেকেরই আল-কুরআনের সাথে সম্পর্ক নাই তাই আমরা বিস্তারিত জানি না। আমি এ পর্যায়ে সেই ঘটনাটি পবিত্র কুরআন থেকেই তুলে ধরার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ ।

আরও বই ডাউনলোড করুন
ইসলামের দৃষ্টিতে কাঙ্খিত পরিবার Bangla PDF ডাউনলোড
তাফসীরে তাবারী শরীফ সকল খন্ড পিডিএফ ডাউনলোড! ডাউনলোড
আল কুরআন বাংলা অনুবাদ - মাওলানা মুহাম্মদ মূসা ডাউনলোড

মরণব্যাধি দুর্নীতি থেকে বাঁচার উপায়

আমরা এতক্ষণ পর্যন্ত যে আলোচনাগুলো করে আসলাম তাতে যুক্তির মাধ্যমে দুর্নীতির সৃষ্টিকারী ও কুমন্ত্রণাদাতা সম্পর্কে বাস্তব তথ্য উপাথ্যসমূহ তুলে ধরার চেষ্টা করেছি এবং দুর্নীতিতে প্রভাব বিস্তারকারী বিষয়সমূহ সম্পর্কেও সংক্ষিপ্ত বর্ণনা তুলে ধরার চেষ্টাও করেছি। তাই বলছি আমরা মানব জাতি অত্যন্ত সহজ-সরল হৃৎপিণ্ড নিয়ে এ দুনিয়াতে আগমন করেছি। দুনিয়াতে এসে শয়তান ইবলিস আমাদেরকে ধ্বংস করার জন্যে আমাদের পিছু নিয়েছে। আমরা একমাত্র আল্লাহর সাহায্য ছাড়া তার হাত থেকে রক্ষা পেতে পারি না। আর সে কথা দয়াময় প্রতিপালকও বলছেন এবং সেই শয়তানের কবলে পড়লে আমাদের কি করতে হবে সে কথাও তিনি বলেছেন: وَإِمَّا يَنْزَغَنَّكَ مِنَ الشَّيْطَنِ نَزْغٌ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ - إِنَّهُ هُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ . 'যদি শয়তানের কুমন্ত্রণা তোমাকে প্ররোচিত করে তবে (তখন) আল্লাহর স্মরণ নিবে। তিনি সর্বোশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।' (হা-মীম আস্ সাজদাহঃ ৩৬) আর শয়তানরা কোন ব্যক্তিকে প্ররোচনা দিয়ে দুর্নীতবাজ তৈরী করে

উপসংহার

পরিশেষে এ কথাই বলতে চাই যে, একটি চলন্ত রেলগাড়ীর ইঞ্জিন ও তার সাথের সংযুক্ত বগিগুলো ততক্ষণ পর্যন্ত তার নিদিষ্ট লাইন বা সিপারের উপর দিয়ে চালিত হয়ে তার নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছতে সক্ষম হবে, যতক্ষণ পর্যন্ত সেই রেলগাড়ীর ইঞ্জিন ও তার বগিসমূহের চাকাগুলো তার নির্দিষ্ট লাইন বা সিপারের উপর স্থির থেকে পরিচালিত হতে পারবে। তদ্রূপ মানবজাতিও একে অপর থেকে ব্যক্তিগত কল্যাণ, পারিবারিক কল্যাণ, সামাজিক কল্যাণ, রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক কল্যাণ তথা দুনিয়া এবং আখেরাতের মহাকল্যাণ লাভ করতে পারবে তখনি, যখন সমস্ত মানবমণ্ডলী আল্লাহর সৃষ্টির প্রকৃতির উপর বা নিয়ম-নীতির উপর অটল বা স্থির থেকে তাঁরই বিধানে নিজকে, পরিবারকে, সমাজকে তথা দেশ জাতি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলকে পরিচালিত করতে সক্ষম হবে। আর তাই দয়াময় প্রতিপালক সকল মানব মন্ডলীকে নির্দেশ দিয়ে বলেছেন: فَأَقِمْ وَجْهَكَ لِلدِّينِ حَنِيفًا - فِطْرَتَ اللَّهِ الَّتِي فَطَرَ النَّا سَ عَلَيْهَا - لَا تَبْدِيلَ لِخَلْقِ اللهِ - ذَلِكَ الدِّينُ الْقَيِّمُ - وَلَكِنَّ أَكْثَرَ النَّاسِ لَا يَعْلَمُونَ . "তুমি একনিষ্ট হয়ে নিজেকে দ্বীনে (আল্লাহর বিধানের উপর প্রতিষ্ঠিত কর, আল্লাহর প্রকৃতির অনুসরণ কর; যে প্রকৃতি অনুযায়ী তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন; আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে কোন পরিবর্তন নাই; এটা সরল দ্বীন, কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না।" (রুম: ৩০)

কুরআন হাদিসের আলোকে শহীদ কারা pdf

কুরআন হাদিসের আলোকে শহীদ কারা pdf

আল্লাহ হযরত আদম (আ) কে নবী বানিয়ে সর্বপ্রথম তাঁর উপর তাওহীদি জীবনব্যবস্থা নাযিল করেন। হযরত আদম (আ) তাঁর সন্তান-সন্তুতি নিয়ে এ জীবনব্যবস্থার উপর চলতে থাকেন। এমনকি এ জীবনব্যবস্থা হযরত নূহ নবীর জমানার পূর্বকাল পর্যন্ত চলতে থাকে ।
quran hadiser aloke sohid kara pdf
কুরআন হাদিসের আলোকে শহীদ কারা আবদুল মাতিন বিক্রমপুরী
প্রকাশনী আধুনিক প্রকাশনী
ভার্চুয়াল সাইজ ১ এমবি
পৃষ্ঠা সংখ্যা ৫০ পৃষ্ঠা
বইয়ের ফরমেট পিডিএফ ই-বুক
প্রকাশের তারিখ বাগী কুঞ্জালয় পাঠাগার
কৃতজ্ঞতা বাগী কুঞ্জালয় পাঠাগার

পুস্তকটিতে লেখক অত্যন্ত সুন্দরভাবে কুরআন, হাদীস ও বড় বড় অভিধানের সাহায্যে শরীয়তের দৃষ্টিতে শহীদ কারা বা কাদেরকে শহীদ বলা যায় তা প্রমাণ করে দেখিয়েছেন। বর্তমানে অনেকেই শহীদ শব্দটি নিজেদের খেয়াল খুশীমত ব্যবহার করছে। এমনকি বিধর্মীদের বেলায়ও ব্যবহৃত হচ্ছে। শহীদ শব্দটি মূলত কুরআনের নিজস্ব শব্দ। কাজেই কুরআন যাদেরকে শহীদ বলেছে তাদেরকেই শহীদ বলা উচিত। লেখক তাই প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন। আশা করি পুস্তকটি পাঠে শহীদ সম্পর্কে পাঠকের মনে সঠিক ধারণা প্রতিষ্ঠিত হবে ।

আল্লাহ হযরত আদম (আ) কে নবী বানিয়ে সর্বপ্রথম তাঁর উপর তাওহীদি জীবনব্যবস্থা নাযিল করেন। হযরত আদম (আ) তাঁর সন্তান-সন্তুতি নিয়ে এ জীবনব্যবস্থার উপর চলতে থাকেন। এমনকি এ জীবনব্যবস্থা হযরত নূহ নবীর জমানার পূর্বকাল পর্যন্ত চলতে থাকে। হাজার হাজার বছর পর্যন্ত এ জীবনব্যবস্থা চালু ছিল। এ দীর্ঘ সময়ের মধ্যে সমাজে পূর্ণ শাস্তি ও শৃংখলা বিরাজ করছিল। কোন দিন সমাজে অশান্তি, বিশৃংখলা, অরাজকতা বা ওলটপালট হয়নি। এ জীবনব্যবস্থাই সনাতন, সঠিক ও স্বাভাবিক জীবন ব্যবস্থা।

তাওহীদি জীবনব্যবস্থা

হযরত নূহ নবীর কিছুকাল পূর্বে তাগুতের জন্ম হয়ে সমাজে আত্মপ্রকাশ করে। যখন তারা সর্বপ্রথম মনগড়া ও শিরক ভিত্তিক জীবনব্যবস্থা কায়েম করে শাসনের পরিবর্তে শোষণ করতে থাকে এবং সমাজে অশান্তি, বিশৃংখলা ও বিরাট ওলটপালট করতে শুরু করল তখন আল্লাহ তায়ালা হযরত নূহ নবীকে সেই সনাতন জীবনব্যবস্থা দিয়ে পাঠান। এতে তাগুতদের সাথে তাঁরা বিরাট সংঘর্ষ চলতে থাকে। যখন তাগুতগণ বেশী বাড়াবাড়ি ও সীমালংঘন করতে থাকে তখন আল্লাহ তায়ালা মহাপ্লাবন দ্বারা এ তাগুত জাতিকে ধ্বংস করে দেন।

আরও বই ডাউনলোড করুন
আল কুরআনে অর্থনীতি pdf download ডাউনলোড
ইসলাম মানবতার ধর্ম bangla book pdf ডাউনলোড
তাফসীর আয়াতুল কুরসী - ডাঃ ফযলে ইলাহী ডাউনলোড

এরপর প্রত্যেক যুগে পৃথিবীর সব দেশে তাগুত ছিল এবং তার প্রত্যেক নবী-রসূলের সাথে দ্বন্দ্ব, সংঘর্ষ ও যুদ্ধ করতে থাকে। বর্তমানে পৃথিবীর সব দেশে তাগুত আছে যারা নায়েবে রাসূলের সাথে সংগ্রাম, দ্বন্দু, সংঘর্ষ ও স্বশস্ত্র যুদ্ধ করে যাচ্ছে। তাগুতগণ শিরক ভিত্তিক জীবনব্যবস্থা কায়েম করে সমাজে জুলুম-অত্যাচার, শাসনের নামে শোষণ, হারাম পথে উপার্জন, হারাম পথে ব্যয়, ধর্ষণ ইত্যাদি দ্বারা সমাজকে কলুষিত করতে থাকে। তখন তাওহীদবাদী মুসলিমগণ তাদেরকে বাধা দেন ও তাওহীদি জীবনব্যবস্থার দিকে লোকদেরকে আহবান করেন। এতে তাগুতগণ তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রোপাগাণ্ডা ও কুৎসা রটায়, দোষারোপ করতে থাকে অবশেষে স্বশস্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত হয়। এমনকি তাদের দলবল নিয়ে তাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। আল্লাহ একদিকে তাগুতের গোলামী করা থেকে বেঁচে খাকার অপরদিকে তাওহীদি জীবনব্যবস্থা কায়েম করার নির্দেশ দিয়েছেন । আল্লাহ তায়ালা প্রত্যেক নবী-রাসূলকে এ নির্দেশ দিয়েছেন যে, মানুষগণ তাগুতের অনুসরণ করা ও তাদের বানানো শিক্ক ভিত্তিক জীবনব্যবস্থা থেকে